রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:০১
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ডিসেম্বরের পর শেষ হয়ে যাবে ইউক্রেনের জন্য সহায়তার অর্থ

অনলাইন ডেস্ক ।। ইউক্রেনের জন্য সহায়তা তহবিলের অর্থ ডিসেম্বরের পর শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি। সোমবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাইডেন প্রশাসন এই মাসে ইউক্রেনে আরো একটি সামরিক সহায়তার প্যাকেজ ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু মাস শেষ হয়ে গেলে এর কোনোটাই আর কাজে আসবে না।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, মাস শেষে আমাদের আর কিছু করার থাকবে না। ইউক্রেনকে সহায়তা করার মতো অর্থ আর থাকবে না। এজন্য বিলম্ব না করে এখনোই কংগ্রেসকে সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন। পেন্টাগনের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল গ্যারন গার্নের মতে, সরাসরি ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য পেন্টাগনের কাছে এখনও ৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে। তবে মাস শেষে তা প্রায় শেষ হয়ে যাবে।

রবিবার, পেন্টাগন কম্পট্রোলার মাইক ম্যাককর্ড ক্যাপিটাল হিল আটকে পড়া ১১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার বিষয়ে একটি চিঠিতে মার্কিন কংগ্রেসকে তাগাদা দিয়েছে।

ব্লুমবার্গে প্রকাশিত সেই চিঠিতে ম্যাককর্ড লেখেন, ইউক্রেনকে সহায়তা করা আমাদের জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন। তারা যেন স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে পারে সে জন্য সহায়তা করা জরুরি। প্রস্তাবিত অর্থের মধ্যে বাইডেন ৬১ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য। ইউক্রেনকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে জো বাইডেনের আরো যুক্তি ছিল, যদি যুক্তরাষ্ট্র দেশটির পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে মস্কোর কাছে নতজানু হয়ে পড়বে কিয়েভ, যা ওয়াশিংটনের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। ইউক্রেনের পাশাপাশি ইসরাইলকে ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ও তাইওয়ানকে সহায়তা তহবিল দেওয়ার কথা ছিল বাইডেন প্রশাসনের।